Jun09
প্রিয় শিক্ষার্থী, দ্বিতীয় সাময়িক/ অর্ধ - বার্ষিক/ দ্বিতীয় পর্ব মধ্য /বার্ষিক/ প্রাক নির্বাচনী/ নির্বাচর্নী পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক পাঠ গ্রহণের জন্য শ্রেণি শিক্ষক ও বিষয় শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বলা হল। -প্রধান শিক্ষক-সিজিএসসি।

স্কুলের ইতিহাস

পাহাড় ও সবুজ বেষ্টিত অপরুপ সৌন্দর্য মন্ডিত চট্টগ্রাম শহর। চট্টগ্রামের বুক চিড়ে বয়ে গেছে কর্ণফুলি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে নগরবাসীর বসবাস। চট্টগ্রাম শহরের নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি ও উন্নয়নে প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। সমসাময়িক কালে চউক এর উন্নয়ন কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য হিসেবে যুক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম অঞ্চলে শিক্ষা বিস্তারে বলিষ্ঠ ভূমিকা। এরই ফলশ্রুতিতে ২০০৮ সালে চান্দগাঁও আবাসিক এলাকায় প্রতিষ্ঠা করা হয় চউক এর প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সিডিএ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ। ২০০৯ সালে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুচ ছালাম। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে চট্টগ্রামের উন্নয়নের দায়িত্ব গ্রহণের পাশাপাশি শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি সিডিএ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ এর উন্নয়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। তাঁর আন্তরিক ও সুচিন্তিত নির্দেশনায় অল্প সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি চান্দগাঁও তথা চট্টগ্রামে একটি আদর্শ ও স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে ওঠে। চট্টগ্রামের শিক্ষা বিস্তারে যাঁর মনে সুপ্ত বাসনা বীজ বুনে আছে, চট্টগ্রামে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উন্নয়নমূলক কাজের শত ব্যস্ততার মাঝেও কাপ্তাই রাস্তার মাথায় চউক-এর প্রায় ২ একর পরিত্যক্ত গ্রীণ বেল্ট তাঁর দৃষ্টি এড়ায়নি। ফলে তাঁর মনে জেগে উঠে চট্টগ্রামের নারী শিক্ষার অপ্রতুলতার বিষয়টি। এরই ধারাবাহিকতায় চউক এর বোর্ড সভায় তিনি ঐ ভূমিতে চউক এর পরিচালনায় একটি আদর্শ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তাঁর এই প্রস্তাবে চট্টগ্রাম উন্নয় কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও বোর্ড সদর্সবৃন্দের স্বতঃস্ফুর্ত সম্মতিতে ৩৯৬তম সভায় সিডিএ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং এর প্রতিষ্ঠার জন্য চউক এর ১ একর জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রস্তাবিত স্থানে ভূমি উন্নয়ন ও অবকাঠামো নির্মানে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তহবিল হতে প্রাথমিক বরাদ্দ দেয়া হয় পাঁচ কোটি টাকা। উক্ত সভায় প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নের তদারকী ও আনুষাঙ্গিক কাজের জন্য চউকের সম্মানিত বোর্ড সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে ৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি এডহক কমিটি গঠন করা হয়। শত ব্যস্ততার মাঝেও চেয়ারম্যান মহোদয় কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং সদস্য-সচিব হিসেবে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং সদস্য-সচিব হিসেবে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব প্রদান করা হয় সিডিএ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ এর বর্তমান অধ্যক্ষকে। চেয়ারম্যান মহোদয়ের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান, আন্তরিক প্রচেষ্টা, নিরলস পরিশ্রম ও সঠিক দিক নির্দেশনায় ২০১৩ সালে অস্থায়ী ভবনে সিডিএ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামো উন্নয়নের শুভ সূচনা হিসেবে প্রস্তাবিত স্থানে অবকাঠামো নির্মানের জন্য মাটি ভরাট করা হয়। এ.কে. খান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় চারিদেকে সীমানা প্রাচীর তৈরি ও পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ নির্মান করা হয়। গত ১০ ডিসেম্বের ২০১১ তারিখে বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ডাঃ আফছারুল আমীন, এমপি এবং চউক এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুচ ছালাম কর্তৃক একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ঐকান্তিক ইচ্ছা ও নিরলস পরিশ্রমে ছয় মাসের মধ্যে দোতলা ভবনের অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শেষ করে গত জুলাই ২০১৩ সালে নিজস্ব ভবনে প্রতিষ্ঠানটি স্থানান্তর করা হয় এবং এক বৎসরের মধ্যে তিনতলা একাডেমিক ভবনের নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করা হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১২ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে সিডিএ গার্লস্ স্কুল এন্ড কলেজের নব-নির্মিত একাডেমিক ভাবনের উদ্বোধন করেন।

সবশেষে এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি সম্মানিত অভিভাবক ও শিক্ষার্থীসহ সকলের সহযোগিতা পেলে আগামী কয়েক বৎসরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি একটি স্বনামধণ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে চট্টগ্রামের নারী শিক্ষার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে - ইনশাল্লাহ।

CDA Chairman

আলহাজ্ব এম জহিরুল আলম দোভাষ
সভাপতি, নির্বাহী কমিটি
সিডিএ গার্লস্ স্কুল এন্ড কলেজ

School Head

আলহাজ্ব মো: গাজীউল হক

আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

ক. প্রকৃত গণতান্ত্রিক চেতনা, মানবিক বিবেক বোধ, বিজ্ঞানমনস্ক যুক্তিবাদী মানস, অগ্রসর চিন্তা, সুস্থ রুচিবোধ, স্বাজাত্যবোধ এবং আত্মমর্যাদা ও আত্মবিশ্বাসসম্পন্ন ভবিষ্যত নাগরিক তৈরি।

খ. এ লক্ষ্যে শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনা, পাঠসামগ্রী প্রণয়ন ও প্রকাশ, বিশিষ্ট এই শিক্ষাদর্শ প্রচার ও প্রতিষ্ঠা।

গ. শিক্ষা যে এক ক্রমবিকাশমান চলমান প্রক্রিয়া তা বিবেচনায় রেখে যুগোপযোগী প্রয়োজনীয় সংস্কার, নবায়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও বিকাশসাধন।

ঘ. দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক শ্রম ও কাজের মাধ্যমে অর্জিত পরিকাঠামো ও সৃষ্ট সুনাম লালন ও এর বিকাশসাধন।